আল্লাহর ভালোবাসা এমন একটি অফুরন্ত নিয়ামত, যা পেলে দুঃখ কেটে যায়, অন্ধকার আলোকিত হয়, হতাশ হৃদয় শান্তিতে ভরে ওঠে। তাই মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠ লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর মহব্বত অর্জন করা। কিন্তু আল্লাহ কাকে ভালোবাসেন? কোন কাজ মানুষকে আল্লাহর প্রিয় বান্দা বানায়? এ প্রশ্নের উত্তর কোরআন ও হাদিসে সুস্পষ্টভাবে এসেছে।
- কেপ ভার্দেতে শিক্ষা সফরের বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫
- * * * *
- র্যাব থেকে এসআরবি: ক্ষমতা ও জবাবদিহি নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ
- * * * *
- ক্রিকেট থেকে বলিউড, রিনা রায়ের সঙ্গে প্রেম- পাকিস্তানি ক্রিকেটার মহসিন খানের গল্প
- * * * *
- পিরোজপুরে অস্ত্র, গুলি ও গাঁজাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার
- * * * *
- গণঅভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তি: চবি অধ্যাপক বহিষ্কার
- * * * *
আল্লাহর ভালোবাসা
আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ভালোবাসাকে সব কিছু, এমনকি নিজের জীবনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া ঈমানের দাবি।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘অতএব, তোমার পালনকর্তার শপথ! তারা কখনো (পূর্ণ) মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের বিবাদীয় বিষয়ে তোমাকে ফয়সালা দানকারী হিসেবে মেনে নেবে। অতঃপর তোমার দেওয়া ফয়সালার ব্যাপারে তাদের অন্তরে কোনো ধরনের দ্বিধা-সংকোচ না রাখবে এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেবে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬৫)
আল্লাহ ও তার রাসুলের ভালোবাসাকে সব কিছু এমনকি নিজের জীবনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া ঈমানের দাবি।
আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা পাওয়া প্রতিটি মুমিনের স্বপ্ন। নিজের সব কিছু বিলিয়ে দেয় মহান রবের সান্নিধ্য লাভের আশায়। কিন্তু আপনি যদি জানেন, যিনি অপনাকে সৃষ্টি করেছেন, যিনি সব ক্ষমতার অধিকারী, পৃথিবীর রাজত্ব একমাত্র যার হাতে, সেই মহান সত্তা আপনাকে অপছন্দ করেন,
যেখানে ভয় ও আনুগত্য আছে সেখানে ভালোবাসা থাকতে পারে আবার না-ও থাকতে পারে, কিন্তু যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে অবশ্যই ভয় ও আনুগত্য থাকবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘হে ওইসব লোক, যারা ঈমান এনেছ!